সম্প্রতি সেনাসদরের একটি প্রশাসনিক চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে সেনাসদস্যদের হেনস্তার অভিযোগসংবলিত একটি তালিকার কথা উল্লেখ থাকায় তা নিয়ে নানা ব্যাখ্যা ও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।
এ বিষয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) শুক্রবার রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, উক্ত চিঠিটি ২০০৯ সালের পিলখানার বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় গঠিত ‘জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন’-এর অনুরোধে কিছু তথ্য পাঠানোর উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হয়েছিল। চিঠির উদ্দেশ্য ছিল তদন্ত সহায়তা, কোনো প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ করা নয়।
আইএসপিআর জানায়, পরবর্তীতে ভুল ব্যাখ্যার আশঙ্কায় চিঠির কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে সেনাসদর কর্তৃক বাতিল করা হয়।
সংস্থাটি আরও বলেছে, একটি স্বার্থান্বেষী মহল এই চিঠিকে অপব্যাখ্যা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে চাইছে। তবে সেনাবাহিনী ও পুলিশ উভয়ই দেশের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পেশাগত সম্মান, সমন্বয় ও সৌহার্দ্যের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।
আইএসপিআর অনুরোধ জানিয়েছে, এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার থেকে সবাইকে বিরত থাকতে।

