টানা এক মাস ২৫ দিন কারাভোগের পর মিথ্যা মামলা থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন রাউজান উপজেলা বিএনপির কর্মীবান্ধব নেতা ও গহিরা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জুয়েল চৌধুরী। মুক্তির পর শুক্রবার তিনি বিএনপির চট্টগ্রাম-৬ আসনের সংসদীয় মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করেন।
গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত এ নামাজকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নামাজ শেষে জুয়েল চৌধুরীকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাউজান পৌরসভা বিএনপি নেতা রহিম চৌধুরী, চিকদাইর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোহাম্মদ আজিজ উদ্দিন, রাউজান পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জীবন খোন্দকার, মোহাম্মদ রাসেদ ও পারভেজ চৌধুরী, চিকদাইর ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোঃ জালাল, গহিরা কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি ও রাউজান পৌরসভা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ জাবেদ কালাম চৌধুরী জিকু, সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন বাবু, সাবেক ছাত্রনেতা তানভীর পারভেজ চয়ন, ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল নেতা রানা তালুকদার, ৪ নম্বর ওয়ার্ড দলইনগর ইউনিয়ন যুবদল নেতা নুরউদ্দীন বাবুসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
নামাজ শেষে নেতাকর্মীরা আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর পারিবারিক কবর জিয়ারত করেন এবং শহীদ সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর কবর জিয়ারত করেন। এ সময় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এ উপলক্ষে আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেন, “রাউজানে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। কোনোভাবেই সন্ত্রাস, ডাকাতি ও অপরাধীদের প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। যারা এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত, তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে।”
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলেন, জুয়েল চৌধুরীর মুক্তি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পক্ষে একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই মুক্তি রাউজানে দলীয় ঐক্য আরও সুসংহত করবে এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

