ফিলিস্তিনি ইসলামপন্থী সংগঠন হামাসের নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। সংগঠনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, এই পদে বর্তমানে দুই শীর্ষ নেতা মুখোমুখি: খালেদ মেশাল ও খলিল আল-হাইয়া।
হামাস সম্প্রতি নতুন শুরা কাউন্সিল—ধর্মীয় আলেমদের নিয়ে গঠিত পরামর্শমূলক সংস্থা—এবং একটি নতুন রাজনৈতিক ব্যুরো গঠন করেছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইসরায়েলি বাহিনী সংগঠনটির একাধিক নেতাকে হত্যা করেছে; নিহতদের মধ্যে সাবেক দুই প্রধানও রয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কর্মকর্তা বলেন, “সংগঠনটি তিনটি অঞ্চলে অভ্যন্তরীণ নির্বাচন সম্পন্ন করেছে। এখন রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান নির্বাচনের শেষ ধাপে রয়েছে।”
হামাসের শুরা কাউন্সিল প্রতি চার বছর অন্তর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়। গাজা উপত্যকা, অধিকৃত পশ্চিম তীর এবং সংগঠনের বৈদেশিক নেতৃত্ব থেকে প্রতিনিধি আসে। ইসরায়েলের কারাগারে থাকা হামাস বন্দীরাও ভোট দেওয়ার অধিকার রাখেন।
কাউন্সিল নির্বাচনের পর রাজনৈতিক ব্যুরো নির্বাচন করে এবং সেই ব্যুরোই নেতা নির্বাচিত করে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ শুরু হলেও গাজায় সহিংসতা অব্যাহত আছে। চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য ইসরায়েল ও হামাস একে অপরকে দায়ী করছে। নির্বাচন শেষ হলে জানা যাবে, কে হবেন হামাসের নতুন নেতা।

