সিলেটের এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–কেন্দ্রিক প্রবাসী সেবায় বিদ্যমান ঘাটতি দ্রুত পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন শ্রম, কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, প্রবাসী যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে অবকাঠামো উন্নয়নসহ প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, “বিমানবন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো, যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন এবং প্রবাসীদের জন্য আলাদা সহায়তা ব্যবস্থার বিষয়গুলো সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে। খুব শিগগিরই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের নিয়ে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচনি ইস্তেহারে প্রবাসী কল্যাণে যেসব অঙ্গীকার করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন এখন অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করে ধাপে ধাপে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে। “প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। তাদের মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব,”—বলেন তিনি।
সফরের সূচি ও অগ্রাধিকার
মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো সিলেট সফরে এসে তিনি জানান, সফরের প্রথম দিনটি মায়ের সঙ্গে কাটাবেন। এরপর সিলেটের ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থাপনা হযরত শাহজালাল দরগাহ ও হযরত শাহপরান দরগাহ জিয়ারত করবেন।
পরদিন নিজ নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের কথা রয়েছে। দেশের কল্যাণে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে সবার দোয়া কামনা করেন তিনি।
ঢাকা থেকে সিলেট
এর আগে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস–এর একটি ফ্লাইটে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে ৫ দিনের সরকারি সফরে সিলেটে পৌঁছান মন্ত্রী।
প্রবাসীবান্ধব সেবা সম্প্রসারণের এই ঘোষণায় সিলেটবাসী ও প্রবাসী পরিবারের মধ্যে নতুন প্রত্যাশার সঞ্চার হয়েছে। এখন নজর বাস্তবায়নের দিকে—ঘোষণা থেকে কত দ্রুত দৃশ্যমান পরিবর্তন আসে, সেটিই দেখার বিষয়।

