বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে জনগণ সরকারকে যৌক্তিক সময় দেবে। তাই অগ্রাধিকার নির্দিষ্ট করে সরকারকে সে লক্ষ্যে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে ১৮০ দিনের মধ্যে সরকারকে অবশ্যই জনপ্রত্যাশা বাস্তবায়নে দৃশ্যমান ও কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁও চার্চ কমিউনিটি সেন্টার মিলনায়তনে নির্বাচনোত্তর পুনর্মিলনী, ইফতার ও এক আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সাইফুল হক বলেন, স্বার্থান্বেষী কোনো কোটারী স্বার্থের কাছে সরকার হেলে পড়তে পারে না। কোনো অপরাধীকে রাজনৈতিক পরিচয় দিয়ে বিবেচনা করা যাবে না। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, জুলুম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও দখলদারির বিরুদ্ধে সরকারকে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। বিতর্কিত পদক্ষেপ ও নীতি কৌশল থেকে সরকারকে বিরত থাকতে হবে।
সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসনে যারা কোদাল প্রতীকে ভোট দিয়েছেন এবং নির্বাচন সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ এবং নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নির্বাচনে বেশুমার কালোটাকা, পেশিশক্তি, প্রশাসনিক ম্যানিপুলেশান, ভোটের ইঞ্জিনিয়ারিং ও ধর্মানুভূতির রাজনৈতিক ব্যবহারের কারণে আমি জিততে পারিনি। তবে নির্বাচনে জিততে না পারলেও আমি ঢাকা-১২ আসনের জনগণের পাশেই থাকব।’
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আকবর খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেত্রী বহ্নিশিখা জামালী, সাবেক কমিশনার আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, বিএনপি নেতা শাহ আলম, এল রহমান, মনিরুল ইসলাম রাহেমী, ইঞ্জিনিয়ার মিরাজুল হায়দার আরজু, তাসলিমা রীতা, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, সাইফুল ইসলাম, ফিরোজ আলী প্রমুখ।

